কাব্য মানুষ পায় আর গদ্য বানায়। গদ্যের কলাকৌশল রপ্ত করতে অনেক মহান সাহিত্যিকদেরও পরিশ্রম করতে হয়েছে। তবে ভাষার খোল নলচে পালটে দেয়ার মত গদ্য লিখতে পারলে তা মহান একটি কবিতা রচনার মতই সন্তোষজনক হবে বলেই আমার ধারনা। শৈশবে হুমায়ুন আহমেদ, জাফর ইকবাল, কৈশোরে শীর্ষেন্দু আর সুনীল, বিশ্ববিদ্যালয়ের গন্ডী পেরোনোর পর আখতারুজ্জামান ইলিয়াস আর শহীদুল জহির এদের গদ্য আমাকে করেছে বিমোহিত। বিশেষ করে শেষ যে দুজনের কথা বললাম তাদের লেখা পড়ার সময় আমি প্রথম গদ্যের সাহিত্যরসের খোঁজ পেয়েছি। ইলিয়াসের 'চিলেকোঠার সেপাই' আমি যখন অষ্টম শ্রেনীতে ছিলাম তখন লাইব্রেরী থেকে নিয়েছিলাম কিন্তু কয়েকপাতা কষ্ট করে পড়ার পর আর আমাকে টানেনি। এখন বুঝি যে ইলিয়াসের গদ্য বোঝার বয়স বা মানসিক পরিপক্কতা তখনও আমার ছিল না। তার বহুকাল পরে এক বন্ধুর বুকশেলফে 'লিটল ম্যাগাজিনের গল্প সঙ্কলন' বইয়ে ইলিয়াসের 'খোঁয়ারি' গল্পটা পড়ি আর গদ্যের প্রতি প্রগাঢ় ভালোবাসার জন্ম হয়। হালের যাদুবাস্তবতার সাথে আমার পরিচয় হোসে লুই বোর্হেস এর গল্প দিয়ে, কিন্তু এই ধারায় যে একজন বাংলাদেশী লেখক সুবিশাল উচ্চতায় আরোহন করেছেন তা শহীদুল জহির এর লে...